Skip to main content

লালমনিরহাট জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি অনুমোদন

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ (পূর্বনাম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ) বাংলাদেশের সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার আদায়, সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার যৌক্তিক সংস্কার ও অন্যান্য বৈষম্য দূরীকরণের উদ্দ্যেশ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠন। ২০১৮ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়, নেতৃত্ব দেন হাসান আল-মামুন, নুরুল হক নুর (সাবেক ভিপি) রাশেদ খান, ফারুক হোসেনসহ অনেক ছাত্র নেতা, এখন সংগঠনটি দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করছে, এই ধারাবাহিকতায় উত্তরের জেলা লালমনিরহাটে, ছাত্র অধিকার পরিষদের নতুন জেলা কমিটি গঠিত হয়। ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামীন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আদীবের সাক্ষরিত প্রেসে গতকাল নতুন কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়, পরে বিষয়টি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মো মইনুল ইসলাম মঈন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক ও সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ শরিফুল ইসলাম এছাড়াও বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হয়েছেন যারা, সহ সভাপতি মোঃ হামিদুল ইসলাম ও সুজন পাটোয়ারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাকিব আহমেদ ও মোঃ নাজমুল ইসলাম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাজু হোসাইন ও আল- ইমরান, দপ্তর সম্পাদক বুলবুল আহম্মেদ সবুজ, উপ-দপ্তর সম্পাদক রেজোয়ানুল হক সজীব, অর্থ সম্পাদক মোঃ জোবায়ের হোসেন, উপ-অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ রিফাত, প্রচার সম্পাদক মোঃ এইচ আর শাকিল, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হাফিজার রহমান বাপ্পী, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক মোছাঃ জেসমিন আক্তার জুই, সমাজ সেবা সম্পাদক মোরশেদুল ইসলাম মানিক, সাহিত্য ও সংষ্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রাজু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ তমির উদ্দিন, বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শাহজালাল আলম সজীব, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক আল মামুন ইসলাম শান্ত, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, তথ্য ও গভেষনা বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবিব আরাফাত, এবং গন যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন কবির আহমেদ রাব্বি।

Comments

Popular posts from this blog

হাতীবান্ধায় ডিভোর্সী নারীকে বাবার বাসা থেকে বের করে দেওয়া ও মরধরের অভিযোগ

হাতীবান্ধায় ডিভোর্সী নারীকে বাবার বাসা থেকে বের করে দেওয়া ও মরধরের অভিযোগ অভিযোগকারী মোছাঃ জেসমিন আক্তার মনি (৩০), পিতাঃ আব্দুল জোব্বার, সাং— পশ্চিম ফকিরপাড়া, ২ নং ওয়ার্ড, থানা—হাতীবান্ধা, জেলা—লালমনিরহাট , তিনি তার ভাই ১। মোঃ তাহিদুল ইসলাম (২৬), ভাইয়ের স্ত্রী ২। মোছাঃ লিপি বেগম (২২), এর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেন।, তিনি বলেন আমার স্বামীর সাথে ৩ বছর পূর্বে ডিভোর্স হাওয়ায় আমি দির্ঘদিনধরে আমার বাবার বাসায় অবস্থান করছি, আমি আমার ভাগের অংশের জমিতে চাষাবাদ ও মানুষের বাড়িতে কাজ করে জীবকা নিবার্হ করি। তা সত্তেও আমার ভাই আমাকে আমার বাবার বাসায় থাকতে দিবেন বলে অনেকদিন থেকেই বিভিন্নভাবে অন্যায় অত্যাচার করে আসছে, যাহাতে আমি আমার বাবার বাসা থেকে বের হয়ে যাই। গত ২০/০২/২০২৬ ইং তারিখ রাত ৯:০০ ঘটিকার সময় পুনরায় আমার ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী সহ আমাকে বাসা থেকে বের হতে বললে আমি বাসা থেকে বের না হলে তারা আমাকে চুলের মুঠি ধরে টেনে হিচরে মাঠিতে ফেলে বেধরক মারধর করে। আসমীদ্বয়ের বেধরক মারধরের কারনে আমার শরিরের বিভন্ন অংশ গুরত্বর ফুলা ও জখম হয়। তিনি আরো বলেন আমার ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী আমাকে বাসা থ...

লালমনিরহাটে ট্রাক চাপায় একই পরিবারের ৩ সদস্য নিহত

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী শিশুসহ একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে উপজেলার মির্জারকোট মডেল মসজিদ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের বাড়ি দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার আলীহাট ইউনিয়নের মনসাপুর গ্রামে। এ সময় আহত আরও একজনকে রংপুর মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাটগ্রামে একটি বেসরকারি এনজিওতে চাকুরি করেন নিহত শরিফুল ইসলাম (৩৫)। আজ সকালে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার পথে ছেলে-মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ির দিকে রওনা দেন। পাটগ্রামের মির্জারকোট এলাকায় আসলে বিপরীত দিকে থেকে আসা বেপরোয়া একটি ট্রাক তাদের ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই স্বামী-স্ত্রী ও ছেলের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত মেয়েকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নড়াইলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ০৪

নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৩) ভোরে সদর উপজেলার বড়কুলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ওলি মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন- খলিল (৬০), তাহাজ্জত (৩০), ওসি (৩০) ও ফেরদৌস (৪০)। তাদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। তবে তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ভোরে স্থানীয় সিংগাশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের মোল্লার নেতৃত্বে লোকজন এলাকায় গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরে গ্রামের খলিল শেখ তার ছেলে তাহাজ্জত ও ফেরদৌস শেখকে ধরে এনে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তিনজন ও পরে সদর হাসপাতালে নিলে আরও একজনের মৃত্যু হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে, সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি শান্ত করতে কাজ করছেন তারা।