Skip to main content

হাতিবান্ধায়, প্রতিবন্ধি অটোচালকের সাথে পালালো দুই সন্তানের জননী

চাকরিজীবি স্বামী কে ছেড়ে, স্ত্রী পালিয়ে গেল দুই সন্তানকে নিয়ে প্রতিবন্ধী অটোচালকের সাথে। লালমনিরহাট জেলা, হাতিবান্ধা উপজেলায়, ভেলাগুড়ী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়াডে গ্রাম উওর জাওরানীর বাসিন্দা। মোঃ মোসলেম উদ্দিনের (৬৫) ছেলে মোঃ ওয়ালিউল্লাহ (৩০) তার স্ত্রী আফরোজা খাতুন (৩০) দুটি সন্তান একটি ছেলে একটি মেয়ে। বড় ছেলের বয়স সাড়ে তিন বছর নাম মোঃ ফারিক। ছোট মেয়ের বয়স তিন মাস নাম ফারিয়া।গত ৮ বছর পূর্বে তাদের রিলেশনশিপের মাধ্যমে বিবাহ হয়। ৮ বছর যাবত সংসার করে আসছিল। গত ২৫/১১/২০২১,ইং তারিখে #শাহজাহান(২৫) নামের প্রতিবন্ধী অটোচালক এই সাথে মোছাঃ আফরোজা (৩০) পালিয়ে যায় বিকালে আফরোজা তার শাশুড়ী কে বলে বাবার বাড়ির যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। একই গ্রামের শাহজাহানের (২৫) সাথে পালিয়ে যায় যাওয়ার সময় আফরোজা (৩০) তার দুই সন্তান কে সাথে নিয়ে যায়। আফরোজার স্বামী চাকরির সুএে ঢাকায় অবস্থান করে।ঘটনা সম্পর্কে ২৭/১১/২১ তাং সে জানতে পেয়ে বাসায় আসেন। ঘটনা সম্পর্কে যানা যায় যে শাহজাহান (২৫) মোঃ ওয়ালিউল্লাহ এর সম্পর্কে মামাত বয়সে ছোট ভাই । প্রতি দিন /রাত ওয়ালিউল্লহের বাসায় আসা যাওয়া করত। বলা যায় ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল তাদের পরিবারের সঙ্গে শাহজাহান এর। অটোরিকশা চালাতেন শাহজাহান (২৫) কারণ সে প্রতিবন্ধী হওয়ায় আর অন্য কোন কাজ করতে সক্ষম নয় ভারি কোন কাজ করতে পারে না। আফরোজার বয়সের তুলনায় শাহজাহান এর বয়স বেশ কম। আফরোজার কাছে (৩০) তার স্বামীর বোনের বিবাহ দেওয়ার জন্য ১ লক্ষ ৬০ হাজার গচ্ছিত ছিল, কারণ তার শশুর শাশুড়ী বৃদ্ধ হওয়ায় সংসারের দায়িত্বগুলো ছেলে ও তার এক মাএ পুএবধুর কাঁধে দিয়েছিল। বিষয় টি এলাকার কেউ বিশ্বাস করতে পারে না কারন, আফরোজার স্বামী চাকরিজিবী ও প্রভাবশালী থাকা সত্ত্বেও এবং দুই সন্তানের জননী হওয়ার পড়ে এক প্রতিবন্ধী ভিক্ষুকের ছেলের সাথে পালিয়ে গিয়েছে বিষয় টি কেমন অধভুত তার উপর শাহজাহান খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাটে। আফরোজার উচ্চতা ৫" ৭ অপর দিকে শাহজাহান এর উচ্চতা ৪" ৯ ফুট। মোঃ ওয়ালিউলাহ ও তার ভাইয়েরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্টাটাস আপলোড দিয়েছেন যে কউ যদি এই শাহজাহান কে ধরিয়ে দেন, তাহলে তাকে উপযুক্ত পুরুষ্কার দিয়ে খুশি করবে। যদি কোন সদয় ব্যাক্তি প্রতিবন্ধী শাহজাহান কে দেখেন তাহলে নিম্ন নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য বলেছেন ভুক্তভোগী স্বামী । যদি কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি এদের খোঁজ পান তাহলে ০১৭২১০৩১০৭৪ নাম্বারে যোগাযোগ করবেন। তাকে পুরস্কৃত করা হবে বলে ঘোষণা দেন আফরোজা বেগমের স্বামী ।

Comments

Popular posts from this blog

হাতীবান্ধায় ডিভোর্সী নারীকে বাবার বাসা থেকে বের করে দেওয়া ও মরধরের অভিযোগ

হাতীবান্ধায় ডিভোর্সী নারীকে বাবার বাসা থেকে বের করে দেওয়া ও মরধরের অভিযোগ অভিযোগকারী মোছাঃ জেসমিন আক্তার মনি (৩০), পিতাঃ আব্দুল জোব্বার, সাং— পশ্চিম ফকিরপাড়া, ২ নং ওয়ার্ড, থানা—হাতীবান্ধা, জেলা—লালমনিরহাট , তিনি তার ভাই ১। মোঃ তাহিদুল ইসলাম (২৬), ভাইয়ের স্ত্রী ২। মোছাঃ লিপি বেগম (২২), এর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেন।, তিনি বলেন আমার স্বামীর সাথে ৩ বছর পূর্বে ডিভোর্স হাওয়ায় আমি দির্ঘদিনধরে আমার বাবার বাসায় অবস্থান করছি, আমি আমার ভাগের অংশের জমিতে চাষাবাদ ও মানুষের বাড়িতে কাজ করে জীবকা নিবার্হ করি। তা সত্তেও আমার ভাই আমাকে আমার বাবার বাসায় থাকতে দিবেন বলে অনেকদিন থেকেই বিভিন্নভাবে অন্যায় অত্যাচার করে আসছে, যাহাতে আমি আমার বাবার বাসা থেকে বের হয়ে যাই। গত ২০/০২/২০২৬ ইং তারিখ রাত ৯:০০ ঘটিকার সময় পুনরায় আমার ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী সহ আমাকে বাসা থেকে বের হতে বললে আমি বাসা থেকে বের না হলে তারা আমাকে চুলের মুঠি ধরে টেনে হিচরে মাঠিতে ফেলে বেধরক মারধর করে। আসমীদ্বয়ের বেধরক মারধরের কারনে আমার শরিরের বিভন্ন অংশ গুরত্বর ফুলা ও জখম হয়। তিনি আরো বলেন আমার ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী আমাকে বাসা থ...

লালমনিরহাটে ট্রাক চাপায় একই পরিবারের ৩ সদস্য নিহত

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী শিশুসহ একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে উপজেলার মির্জারকোট মডেল মসজিদ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের বাড়ি দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার আলীহাট ইউনিয়নের মনসাপুর গ্রামে। এ সময় আহত আরও একজনকে রংপুর মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাটগ্রামে একটি বেসরকারি এনজিওতে চাকুরি করেন নিহত শরিফুল ইসলাম (৩৫)। আজ সকালে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার পথে ছেলে-মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ির দিকে রওনা দেন। পাটগ্রামের মির্জারকোট এলাকায় আসলে বিপরীত দিকে থেকে আসা বেপরোয়া একটি ট্রাক তাদের ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই স্বামী-স্ত্রী ও ছেলের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত মেয়েকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

নড়াইলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ০৪

নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৩) ভোরে সদর উপজেলার বড়কুলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ওলি মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন- খলিল (৬০), তাহাজ্জত (৩০), ওসি (৩০) ও ফেরদৌস (৪০)। তাদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। তবে তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ভোরে স্থানীয় সিংগাশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের মোল্লার নেতৃত্বে লোকজন এলাকায় গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরে গ্রামের খলিল শেখ তার ছেলে তাহাজ্জত ও ফেরদৌস শেখকে ধরে এনে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তিনজন ও পরে সদর হাসপাতালে নিলে আরও একজনের মৃত্যু হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে, সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি শান্ত করতে কাজ করছেন তারা।